Sunday, 26 July 2015
Therapy<<<>>>03-06-2015
গরমে তাহাদের অবদান
সোহানুর রহমান অনন্ত
গরমে কার বেশি অবদান, এমনটা নিয়ে
যদি কোনো পুরস্কার দেয়া হতো,তাহলে
তারা কী বক্তব্য দিতো, সেটাই জানাচ্ছে সোহানুর রহমান অনন্ত
ফ্রিজ : বন্ধুগণ, আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা বারো মাসই সেবা প্রদান করে থাকি। যদিও শীতকালে আমাদের ব্যবহার কম হয়। কিন্তু গরমকালে তো আমাদের দম ফেলার টাইম নাই। আমরা আছি বলেই ঠাণ্ডা পানি খেয়ে কলিজা ঠাণ্ডা করেন। স্বস্তি পান, নইলে আপনাদের কী যে হতো।
হাতপাখা : বলদ ফ্রিজ অমন চিক্কুর পাইরা লাভ নাই। তুমি তো আছো আরেকজনের ঘাড়ের ওপর। কারেন্ট না থাকলে তো নিজেই গরমে অজ্ঞান হয়ে পড়ো। আর আমাকে দেখছো। আমি গরম বাতাসকে কনভার্ট করে ঠাণ্ডা করি। আমার জন্য কোনো কারেন্টের প্রয়োজন হয় না। অতএব এই গরমে তোমার চেয়ে আমার অবদান অনেক বেশি।
লেবুর শরবত : বললেই হলো, আমাদের শাখা যদি প্রতিটি রাস্তার পাশে না থাকত, তাহলে কী হতো একবার ভেবে দেখুন। আমাদের দাম অল্প কিন্তু আমরা প্রচণ্ড গরমে কলিজা ঠাণ্ডা করে থাকি। মানুষ আমাদের খাওয়ার জন্য লাইন দেয়। শুধু মানুষ না, মশা মাছিও লাইন মারে। এইবার চিন্তা কইরা দেখেন, আমাদের জনপ্রিয়তা কেমন। অতএব এই গরমে আমাদের অবদানই সবচেয়ে বেশি।
বিদ্যুৎ : তোমাদের কথা শুনলে হাসি, গরমে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলাম আমি। আমি না থাকলে মানুষের মনে শান্তি থাকে না। এই গরমে আমার দেখা পাওয়া মানে, সোনার হরিণ পাওয়ার মতো। তাই গরমে সবচেয়ে বেশি অবদান আমিই রাখি।
কুল পাউডার : কথা শুনে আর কী কইতাম, বিদ্যুৎ মিয়া তুমি তো চোরের মতো পালিয়ে থাকো। তোমার অবস্থান হলো ৫ মিনিটের জন্য এসে পাঁচ ঘণ্টার জন্য হারিয়ে যাওয়া। আমার কথা সবাই জানে, আমি এক দিকে যেমন ঠাণ্ডা রাখি অন্য দিকে গরমের ঘামের গন্ধটাকেও ছড়াতে দেই না। তাই অবদানটা তো আমারই বেশি হইলো।
এসি : চুপ থাক্ চুলকাইন্না পাইডার, তোমরা চুলাচুলি করে যা ইচ্ছে তাই বলো। গরমে আমার চেয়ে বেশি অবদান কেউই রাখে না। অফিস, বাড়ি সব জায়গায় আমার জনপ্রিয়তা, আমি বন্ধ থাকলে তো মানুষের চিল্লাপাল্লা শুরু হইয়া যায়। সুতরাং চিক্কুর পাইরা কোনো লাভ নাই।
পানি : গরমে যে আমার অবদান সবচেয়ে বেশি এটা তো সবাই জানে। বেশি গরম লাগলেই সবাই আমাদের দিয়ে গোসল করে ঠাণ্ডা হয়। আমাকে পান করে শরীরের পানিশূনতা পূরণ করে। যে যত লেকচারই মারুক না কেন, আমার অবদান কইলাম সবার চাইতে বেশি।
আইসক্রিম : সবার বকবক তো শুনলাম, এইবার আমারটা শোন, আমি কি গরমে অবদানটা কম রাখি নাকি। আমি যেমন স্বাদযুক্ত তেমন ঠাণ্ডাও। গরমে ঠাণ্ডার পাশাপাশি মানুষের মনও ভালো করতে পারি। তাইলে আমার অবদানটাই বা কম কিসের।
গরমে তাহাদের অবদান
সোহানুর রহমান অনন্ত
গরমে কার বেশি অবদান, এমনটা নিয়ে
যদি কোনো পুরস্কার দেয়া হতো,তাহলে
তারা কী বক্তব্য দিতো, সেটাই জানাচ্ছে সোহানুর রহমান অনন্ত
ফ্রিজ : বন্ধুগণ, আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা বারো মাসই সেবা প্রদান করে থাকি। যদিও শীতকালে আমাদের ব্যবহার কম হয়। কিন্তু গরমকালে তো আমাদের দম ফেলার টাইম নাই। আমরা আছি বলেই ঠাণ্ডা পানি খেয়ে কলিজা ঠাণ্ডা করেন। স্বস্তি পান, নইলে আপনাদের কী যে হতো।
হাতপাখা : বলদ ফ্রিজ অমন চিক্কুর পাইরা লাভ নাই। তুমি তো আছো আরেকজনের ঘাড়ের ওপর। কারেন্ট না থাকলে তো নিজেই গরমে অজ্ঞান হয়ে পড়ো। আর আমাকে দেখছো। আমি গরম বাতাসকে কনভার্ট করে ঠাণ্ডা করি। আমার জন্য কোনো কারেন্টের প্রয়োজন হয় না। অতএব এই গরমে তোমার চেয়ে আমার অবদান অনেক বেশি।
লেবুর শরবত : বললেই হলো, আমাদের শাখা যদি প্রতিটি রাস্তার পাশে না থাকত, তাহলে কী হতো একবার ভেবে দেখুন। আমাদের দাম অল্প কিন্তু আমরা প্রচণ্ড গরমে কলিজা ঠাণ্ডা করে থাকি। মানুষ আমাদের খাওয়ার জন্য লাইন দেয়। শুধু মানুষ না, মশা মাছিও লাইন মারে। এইবার চিন্তা কইরা দেখেন, আমাদের জনপ্রিয়তা কেমন। অতএব এই গরমে আমাদের অবদানই সবচেয়ে বেশি।
বিদ্যুৎ : তোমাদের কথা শুনলে হাসি, গরমে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলাম আমি। আমি না থাকলে মানুষের মনে শান্তি থাকে না। এই গরমে আমার দেখা পাওয়া মানে, সোনার হরিণ পাওয়ার মতো। তাই গরমে সবচেয়ে বেশি অবদান আমিই রাখি।
কুল পাউডার : কথা শুনে আর কী কইতাম, বিদ্যুৎ মিয়া তুমি তো চোরের মতো পালিয়ে থাকো। তোমার অবস্থান হলো ৫ মিনিটের জন্য এসে পাঁচ ঘণ্টার জন্য হারিয়ে যাওয়া। আমার কথা সবাই জানে, আমি এক দিকে যেমন ঠাণ্ডা রাখি অন্য দিকে গরমের ঘামের গন্ধটাকেও ছড়াতে দেই না। তাই অবদানটা তো আমারই বেশি হইলো।
এসি : চুপ থাক্ চুলকাইন্না পাইডার, তোমরা চুলাচুলি করে যা ইচ্ছে তাই বলো। গরমে আমার চেয়ে বেশি অবদান কেউই রাখে না। অফিস, বাড়ি সব জায়গায় আমার জনপ্রিয়তা, আমি বন্ধ থাকলে তো মানুষের চিল্লাপাল্লা শুরু হইয়া যায়। সুতরাং চিক্কুর পাইরা কোনো লাভ নাই।
পানি : গরমে যে আমার অবদান সবচেয়ে বেশি এটা তো সবাই জানে। বেশি গরম লাগলেই সবাই আমাদের দিয়ে গোসল করে ঠাণ্ডা হয়। আমাকে পান করে শরীরের পানিশূনতা পূরণ করে। যে যত লেকচারই মারুক না কেন, আমার অবদান কইলাম সবার চাইতে বেশি।
আইসক্রিম : সবার বকবক তো শুনলাম, এইবার আমারটা শোন, আমি কি গরমে অবদানটা কম রাখি নাকি। আমি যেমন স্বাদযুক্ত তেমন ঠাণ্ডাও। গরমে ঠাণ্ডার পাশাপাশি মানুষের মনও ভালো করতে পারি। তাইলে আমার অবদানটাই বা কম কিসের।
Monday, 1 June 2015
2-06-2015 daily kalar kantha-ar Gorar dim-a
সবাইকে জানাতে হলে
আপনি এ প্লাস পেয়েছেন, এ খবর পুরো জাতিকে তো জানাতেই হবে। তবে জানানো তো আর অত সহজ কাজ নয়। তার জন্য কিছু বুদ্ধি খাটাতে হবে। কী সেই বুদ্ধি, জানাচ্ছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
টি-শার্টের মাধ্যমে
যেহেতু পাবলিককে আপনি জানাবেন আপনি এ প্লাস পেয়েছেন, সেহেতু মুখ না ব্যবহার করে টি-শার্টের সামনে-পেছনে বড় করে এ প্লাস লিখে নিতে পারেন। এমনভাবে লিখবেন, যাতে পাবলিক দেখেই বুঝতে পারে এটা আপনার রেজাল্ট। ব্যস, এবার রাস্তা দিয়ে হাঁটুন, যেদিকে পাবলিক সেখানেই আপনি এবং আপনার টি-শার্ট।
ফেসবুকের মাধ্যমে
ফেসবুকের কভার ও প্রোফাইল পিকচারে 'এ প্লাস' দিয়ে ফেলুন। এরপর সেগুলো ইচ্ছামতো ট্যাগ করুন বন্ধুদের। এভাবে একজনের থেকে হাজারজনের কাছে চলে যাবে আপনার ট্যাগ। আর সবাই জানতে পারবেন আপনি একজন বিশুদ্ধ এ প্লাস পাওয়া কৃতী ছাত্র।
স্টিকারের মাধ্যমে
নিজের ছবিযুক্ত স্টিকার বানিয়ে ফেলুন। এরপর সেটি আপনার ফ্ল্যাটের সামনে-অর্থাৎ দরজার সামনে লাগিয়ে দিন। যারা আপনার ফ্ল্যাটে আসবে অথবা আপনার ফ্ল্যাটের সামনে দিয়ে নামবে, তারা সবাই সেটি দেখতে পাবে। এবং আপনি যে এ প্লাস পেয়েছেন, সেটা জনে জনে রটে যাবে।
সবাইকে জানাতে হলে
আপনি এ প্লাস পেয়েছেন, এ খবর পুরো জাতিকে তো জানাতেই হবে। তবে জানানো তো আর অত সহজ কাজ নয়। তার জন্য কিছু বুদ্ধি খাটাতে হবে। কী সেই বুদ্ধি, জানাচ্ছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
টি-শার্টের মাধ্যমে
যেহেতু পাবলিককে আপনি জানাবেন আপনি এ প্লাস পেয়েছেন, সেহেতু মুখ না ব্যবহার করে টি-শার্টের সামনে-পেছনে বড় করে এ প্লাস লিখে নিতে পারেন। এমনভাবে লিখবেন, যাতে পাবলিক দেখেই বুঝতে পারে এটা আপনার রেজাল্ট। ব্যস, এবার রাস্তা দিয়ে হাঁটুন, যেদিকে পাবলিক সেখানেই আপনি এবং আপনার টি-শার্ট।
ফেসবুকের মাধ্যমে
ফেসবুকের কভার ও প্রোফাইল পিকচারে 'এ প্লাস' দিয়ে ফেলুন। এরপর সেগুলো ইচ্ছামতো ট্যাগ করুন বন্ধুদের। এভাবে একজনের থেকে হাজারজনের কাছে চলে যাবে আপনার ট্যাগ। আর সবাই জানতে পারবেন আপনি একজন বিশুদ্ধ এ প্লাস পাওয়া কৃতী ছাত্র।
স্টিকারের মাধ্যমে
নিজের ছবিযুক্ত স্টিকার বানিয়ে ফেলুন। এরপর সেটি আপনার ফ্ল্যাটের সামনে-অর্থাৎ দরজার সামনে লাগিয়ে দিন। যারা আপনার ফ্ল্যাটে আসবে অথবা আপনার ফ্ল্যাটের সামনে দিয়ে নামবে, তারা সবাই সেটি দেখতে পাবে। এবং আপনি যে এ প্লাস পেয়েছেন, সেটা জনে জনে রটে যাবে।
Aj 24-05-2015 Abokash-a
মানবপাচার
সোহানুর রহমান অনন্ত
একজন মানুষের স্বপ্ন অনেক বড় হয়। তার এই স্বপ্নের মাঝে থাকে তার পরিবার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে যখন নিজেই পড়ে যান জীবন মরণের মাঝখানে ঠিক তখনই সেই স্বপ্ন পরিণত হয় দুঃস্বপ্নে। সাগরের প্রতিটি ঢেউয়ের সাথে স্বপ্নগুলো আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়। এটা কোনো উপন্যাসের ভূমিকা নয়, বাস্তব। এভাবেই স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়া অনেক বাংলাদেশী ভাসছে সাগরের জলে। দালালদের খপ্পরে পড়ে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টাকালে সাগরে ভেসে বেড়ানো কিংবা জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করার কথা এখন সবার মুখে মুখে। মানবপাচার করে অনেক পাচারকারী আবার কোটিপতি বনে গেছেন। গরিবের সরলতার সুযোগ নিয়ে দালালেরা হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা, যা দেখার কেউ নেই। ভালো উপার্যনের আশায় সমুদ্রপথে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে। কিন্তু শুরু যতটা না সুন্দর হয় শেষটা হয় তার চেয়েও কঠিন। তারা জানে না এটা খুবই দীর্ঘ ও বিপজ্জনক যাত্রা। যখন এই চিরসত্যটি তারা বুঝতে পারেন তখন আর ফেরার পথ নেই। মানবপাচারে জড়িত রয়েছে রোহিঙ্গাসহ তিন শতাধিক স্থানীয় ও বহিরাগত দালাল। এমনটা অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। হঠাৎ করে গণমাধ্যমে বিষয়টি চলে আসায় বিভিন্ন দেশের প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। সমুদ্রে ভেসে থাকা বিভিন্ন নৌকায় আটকে পড়াদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই বাংলাদেশী। দালালদের খপ্পরে পড়ে তাদের জীবন প্রদীপও নিভতে বসেছে। নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেও অনেকে, উদ্ধাদের কোনো ব্যবস্থা নেই। এর কিছুদিন আগে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা যান অনেক অবৈধ অভিবাসী। সেই ঘটনার পর ইউরোপীয় দেশগুলো নড়েচড়ে বসে। তারা এগিয়ে আসে মানবপাচার বন্ধে এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। অর্ধেক বাংলাদেশী হলেও বাকি অর্ধেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গারা বাঙালি। দেশটিতে বিভিন্ন সময় রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, লুণ্ঠনসহ নানা নির্যাতন চালিয়ে আসছে উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা। নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে অন্যান্য দেশে। জানা যায়, বিদেশগামী এসব মানুষকে প্রায়ই আটকে রেখে পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে পাচারকারীরা। না খেয়ে বন্দী অবস্থাতেই অনেকে মারা যায়। এভাবেই পাচারকারীরা নাকের ডগায় বসে সাধারণ মানুষের জীবনকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। জাতিসঙ্ঘের মতে, জানুয়ারি থেকে মার্চে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ বঙ্গোপসাগর থেকে যাত্রা শুরু করেছে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার উদ্দেশে। দিন দিন এর হার বেড়েই চলছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ রয়েছে। আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়ার জন্য তারা বিদেশে পাড়ি জমান অবৈধ পথে। তাদের ধারণা, উন্নত কোনো একটি দেশে যেতে পারলে তাদের জীবনযাত্রা পাল্টে যাবে। দালালের খপ্পরে পড়ে অনেকেই বিক্রি কয়ে দেয় নিজের পৈতৃক সম্পত্তি। দালালের হাতে তুলে দেয় টাকা। ট্রলারে গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমান। অনেক মানুষ একসাথে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। খাবার চাইতে গেলে উল্টো নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অর্থনৈতিক কারণে দেশান্তরী হওয়া এসব মানুষের তখন আর কিছুই করার থাকে না। আবার চালকহীন নৌযানে সাগরের বুকে মৃত্যুর দিন গুনছেন অনেকে।
মালাক্কা প্রণালী ও এর আশপাশে সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছেন হাজার হাজার বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম। অন্য দিকে ইন্দোনেশীয় সরকারের প থেকে গত সোমবার নৌকায় অবস্থানকারী শতাধিক বিদেশগামীকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের সীমান্তসংলগ্ন জঙ্গলে গোপন নির্যাতন শিবির ও বেশ কয়েকটি কবরের সন্ধান পায় দেশটির পুলিশ। সেই খবর পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে উঠে আসে মানবপাচারের ব্যাপারটি। এ ঘটনার পর থেকেই দেশটির আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী মানবপাচারের সাথে জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। সাগরে ভাসমান এই মানুষের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে। খাবার-পানির অভাবে বেঁচে থেকেও তারা প্রায় মৃত্য। এসব মানুষকে উদ্ধার করতে সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন এবং দালালদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার করা। অবৈধ পথে যাতে কেউ বিদেশ গমন করতে না পারে সে দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। উপকূলীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের সবার মনে রাখা উচিত প্রতিটি মানুষের জীবনই মূল্যবা
মানবপাচার
সোহানুর রহমান অনন্ত
একজন মানুষের স্বপ্ন অনেক বড় হয়। তার এই স্বপ্নের মাঝে থাকে তার পরিবার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে যখন নিজেই পড়ে যান জীবন মরণের মাঝখানে ঠিক তখনই সেই স্বপ্ন পরিণত হয় দুঃস্বপ্নে। সাগরের প্রতিটি ঢেউয়ের সাথে স্বপ্নগুলো আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়। এটা কোনো উপন্যাসের ভূমিকা নয়, বাস্তব। এভাবেই স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়া অনেক বাংলাদেশী ভাসছে সাগরের জলে। দালালদের খপ্পরে পড়ে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টাকালে সাগরে ভেসে বেড়ানো কিংবা জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করার কথা এখন সবার মুখে মুখে। মানবপাচার করে অনেক পাচারকারী আবার কোটিপতি বনে গেছেন। গরিবের সরলতার সুযোগ নিয়ে দালালেরা হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা, যা দেখার কেউ নেই। ভালো উপার্যনের আশায় সমুদ্রপথে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে। কিন্তু শুরু যতটা না সুন্দর হয় শেষটা হয় তার চেয়েও কঠিন। তারা জানে না এটা খুবই দীর্ঘ ও বিপজ্জনক যাত্রা। যখন এই চিরসত্যটি তারা বুঝতে পারেন তখন আর ফেরার পথ নেই। মানবপাচারে জড়িত রয়েছে রোহিঙ্গাসহ তিন শতাধিক স্থানীয় ও বহিরাগত দালাল। এমনটা অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। হঠাৎ করে গণমাধ্যমে বিষয়টি চলে আসায় বিভিন্ন দেশের প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। সমুদ্রে ভেসে থাকা বিভিন্ন নৌকায় আটকে পড়াদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই বাংলাদেশী। দালালদের খপ্পরে পড়ে তাদের জীবন প্রদীপও নিভতে বসেছে। নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেও অনেকে, উদ্ধাদের কোনো ব্যবস্থা নেই। এর কিছুদিন আগে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা যান অনেক অবৈধ অভিবাসী। সেই ঘটনার পর ইউরোপীয় দেশগুলো নড়েচড়ে বসে। তারা এগিয়ে আসে মানবপাচার বন্ধে এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। অর্ধেক বাংলাদেশী হলেও বাকি অর্ধেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গারা বাঙালি। দেশটিতে বিভিন্ন সময় রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, লুণ্ঠনসহ নানা নির্যাতন চালিয়ে আসছে উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা। নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে অন্যান্য দেশে। জানা যায়, বিদেশগামী এসব মানুষকে প্রায়ই আটকে রেখে পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে পাচারকারীরা। না খেয়ে বন্দী অবস্থাতেই অনেকে মারা যায়। এভাবেই পাচারকারীরা নাকের ডগায় বসে সাধারণ মানুষের জীবনকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। জাতিসঙ্ঘের মতে, জানুয়ারি থেকে মার্চে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ বঙ্গোপসাগর থেকে যাত্রা শুরু করেছে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার উদ্দেশে। দিন দিন এর হার বেড়েই চলছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ রয়েছে। আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়ার জন্য তারা বিদেশে পাড়ি জমান অবৈধ পথে। তাদের ধারণা, উন্নত কোনো একটি দেশে যেতে পারলে তাদের জীবনযাত্রা পাল্টে যাবে। দালালের খপ্পরে পড়ে অনেকেই বিক্রি কয়ে দেয় নিজের পৈতৃক সম্পত্তি। দালালের হাতে তুলে দেয় টাকা। ট্রলারে গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমান। অনেক মানুষ একসাথে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। খাবার চাইতে গেলে উল্টো নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অর্থনৈতিক কারণে দেশান্তরী হওয়া এসব মানুষের তখন আর কিছুই করার থাকে না। আবার চালকহীন নৌযানে সাগরের বুকে মৃত্যুর দিন গুনছেন অনেকে।
মালাক্কা প্রণালী ও এর আশপাশে সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছেন হাজার হাজার বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম। অন্য দিকে ইন্দোনেশীয় সরকারের প থেকে গত সোমবার নৌকায় অবস্থানকারী শতাধিক বিদেশগামীকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের সীমান্তসংলগ্ন জঙ্গলে গোপন নির্যাতন শিবির ও বেশ কয়েকটি কবরের সন্ধান পায় দেশটির পুলিশ। সেই খবর পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে উঠে আসে মানবপাচারের ব্যাপারটি। এ ঘটনার পর থেকেই দেশটির আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী মানবপাচারের সাথে জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। সাগরে ভাসমান এই মানুষের অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে। খাবার-পানির অভাবে বেঁচে থেকেও তারা প্রায় মৃত্য। এসব মানুষকে উদ্ধার করতে সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন এবং দালালদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার করা। অবৈধ পথে যাতে কেউ বিদেশ গমন করতে না পারে সে দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। উপকূলীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের সবার মনে রাখা উচিত প্রতিটি মানুষের জীবনই মূল্যবা
8-05-2015Dailysomokal_Pa chall
আরও যেভাবে আন্দোলন করতে পারে
সোহানুর রহমান অনন্ত
আন্দোলনকারীরা গানে গানে আন্দোলন করতে পারে। এমন বেসুরা গলায় গান গাইতে হবে, যাতে বিরক্ত হয়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বেলুন দিয়ে আন্দোলন
যেহেতু পুলিশের সামনে আন্দোলন করাটা ব্যাপক রিক্স হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই বাতাসে ভেসে ভেসে আন্দোলন করা যেতে পারে। গ্যাস বেলুন দিয়ে পুলিশের মাথার ওপর উড়ে উড়ে আন্দোলন করতে পারে আন্দোলনকারীরা। এ ক্ষেত্রে মার খাওয়ার চান্স নেই।
অন্যদিকে সুবিধা হলো, ভূমিকম্প হলেও রিক্স নেই। তবে সমস্যা হলো, ভাসতে ভাসতে আবার ভূমিকম্পের দেশ জাপানে চলে না গেলেই হলো।
সুড়ঙ্গ খুঁড়ে আন্দোলন
আন্দোলনকারীরা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে আন্দোলন করতে পারে। মাটির নিচ দিয়ে তারা আন্দোলন করবে। যেহেতু সুড়ঙ্গে পুলিশ প্রবেশ করতে পারবে না, তাই আন্দোলনকারীরাও আরামে আন্দোলন করে যেতে পারবে। মার খাওয়ার কোনো সুযোগই নেই।
স্প্রিংয়ের জ্যাকেট পরে
যেহেতু পুলিশের সামনে আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ লাঠিপেটা করে। সে জন্য আন্দোলনকারীদের প্রয়োজন স্প্রিংয়ের জ্যাকেট। ব্যস, পুলিশ লাঠি দিয়ে আঘাত করতে গেলে উল্টো তার গায়েই সে আঘাত এসে লাগবে। ব্যস, এমনটা ঘটাতে পারলে আন্দোলনকারীদের মার খাওয়ার টেনশন নেই।
গানে গানে আন্দোলন
আন্দোলনকারীরা গানে গানে আন্দোলন করতে পারে। এমন বেসুরা গলায় গান গাইতে হবে, যাতে বিরক্ত হয়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়। ব্যস, যত গান গাইবে তত মার খাওয়ার চান্স কম। সুতরাং গানে গানে আন্দোলন করা যেতেই পারে।
মনে মনে
এর কোনোটাই যদি সম্ভব না হয় তাহলে মনে মনে আন্দোলন করতে হবে। এটি সহজ ও সফল আন্দোলন। বাংলাদেশের বড় একটি রাজনৈতিক দলও মনে মনে আন্দোলন করে। তাই মনে মনে আন্দোলন ব্যর্থ হবে না। আর মারও খেতে হবে না আন্দোলনকারীদের
আরও যেভাবে আন্দোলন করতে পারে
সোহানুর রহমান অনন্ত
আন্দোলনকারীরা গানে গানে আন্দোলন করতে পারে। এমন বেসুরা গলায় গান গাইতে হবে, যাতে বিরক্ত হয়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বেলুন দিয়ে আন্দোলন
যেহেতু পুলিশের সামনে আন্দোলন করাটা ব্যাপক রিক্স হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই বাতাসে ভেসে ভেসে আন্দোলন করা যেতে পারে। গ্যাস বেলুন দিয়ে পুলিশের মাথার ওপর উড়ে উড়ে আন্দোলন করতে পারে আন্দোলনকারীরা। এ ক্ষেত্রে মার খাওয়ার চান্স নেই।
অন্যদিকে সুবিধা হলো, ভূমিকম্প হলেও রিক্স নেই। তবে সমস্যা হলো, ভাসতে ভাসতে আবার ভূমিকম্পের দেশ জাপানে চলে না গেলেই হলো।
সুড়ঙ্গ খুঁড়ে আন্দোলন
আন্দোলনকারীরা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে আন্দোলন করতে পারে। মাটির নিচ দিয়ে তারা আন্দোলন করবে। যেহেতু সুড়ঙ্গে পুলিশ প্রবেশ করতে পারবে না, তাই আন্দোলনকারীরাও আরামে আন্দোলন করে যেতে পারবে। মার খাওয়ার কোনো সুযোগই নেই।
স্প্রিংয়ের জ্যাকেট পরে
যেহেতু পুলিশের সামনে আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ লাঠিপেটা করে। সে জন্য আন্দোলনকারীদের প্রয়োজন স্প্রিংয়ের জ্যাকেট। ব্যস, পুলিশ লাঠি দিয়ে আঘাত করতে গেলে উল্টো তার গায়েই সে আঘাত এসে লাগবে। ব্যস, এমনটা ঘটাতে পারলে আন্দোলনকারীদের মার খাওয়ার টেনশন নেই।
গানে গানে আন্দোলন
আন্দোলনকারীরা গানে গানে আন্দোলন করতে পারে। এমন বেসুরা গলায় গান গাইতে হবে, যাতে বিরক্ত হয়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়। ব্যস, যত গান গাইবে তত মার খাওয়ার চান্স কম। সুতরাং গানে গানে আন্দোলন করা যেতেই পারে।
মনে মনে
এর কোনোটাই যদি সম্ভব না হয় তাহলে মনে মনে আন্দোলন করতে হবে। এটি সহজ ও সফল আন্দোলন। বাংলাদেশের বড় একটি রাজনৈতিক দলও মনে মনে আন্দোলন করে। তাই মনে মনে আন্দোলন ব্যর্থ হবে না। আর মারও খেতে হবে না আন্দোলনকারীদের
Abokash 17-05-2015
বাঙালির প্রিয় মধুমাস
সোহানুর রহমান অনন্ত
বাঙালির মধুমাস জ্যৈষ্ঠ এসে গেছে। বাহারি রঙের ফলে ছেয়ে গেছে বাজারগুলো। গ্রামের হাটবাজারে এখন মিষ্টি ফলের গন্ধ। প্রচণ্ড গরমে রসাল ফল আপনাকে শুধু চাঙাই করবে না, নিমেষেই মনকে ভালো করে দেবে। ফল প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার। ফল পছন্দ করে না, এমন মানুষ নেই বললেই চলে। বিভিন্ন জেলা ফলের জন্য বিখ্যাত হয়ে রয়েছে যুগ যুগ ধরে। সাধ্যের মধ্যে যে যার মতো ফল কিনে মনের তৃপ্তি মেটাচ্ছে। গ্রামের মতো শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকানিরা ফলের দোকান সাজিয়ে বসেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে মধুমাসের নানা জাতের ফল। দেশী ফলের পাশাপাশি অনেকে আবার বিদেশী ফল সাজিয়ে রেখেছেন। তবে দেশী ফলের কদর বিন্দুমাত্র কমেনি তাতে। মধুমাসের ফলগুলো হচ্ছে- আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, কাঁচা তাল, জামরুল, তরমুজ, পেয়ারা, আতা, করমচা, জাম্বুরা, কাউফল, গোলাপজাম, কামরাঙা, লটকন, টেপাফল, তেঁতুল, গাব, নোনা, বেথুন, ডেউয়াসহ আরো কত কী!
বাঁশখালী, চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার চরাঞ্চল, পটিয়ার চক্রশালা, বোয়ালখালীর করলডেঙ্গা পাহাড়ি এলাকা, এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু কিছু পাহাড়ি অঞ্চলে তরমুজের চাষ হয়। এসব এলাকা থেকে পাইকারেরা নগরে সরবরাহ করেন তরমুজ। তারপর শুরু হয় বিক্রি। গরমে তরমুজের চাহিদাও অনেক। তবে মধুমাস বলতে গেলে আমের কথাই সবার আগে আসে। এরই মধ্যে বাজারে শোভা পাচ্ছে পাকা টসটসে আম। সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, নাটোর, ঈশ্বরদী থেকে গুটি আম, মোহনভোগ, গোপালভোগসহ বাহারি নামে বিভিন্ন আমে বাজার সয়লাব। ভারতীয় গুটি আম গোবিন্দভোগ, হিমসাগর পাওয়া যাচ্ছে বৈশাখের শুরু থেকেই। এ ছাড়া রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া, হিমসাগর, গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ মধুমাসকে পরিপূর্ণ করবে। আর এর পরই আসবে সে অঞ্চলের ফজলি আম। একেকজনের পছন্দ একেক রকম। কেউ আম খেতে ভালোবাসে, কেউ আবার কাঁঠাল। পরিবারের কর্তাকে তাই বিপদে পড়তে হয়। বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় জ্যৈষ্ঠ মাসে ফল সবচেয়ে বেশি হয়।
রসে টইটম্বুর মওসুমি ফলের ম ম ঘ্রাণে ভরে ওঠে ফলের আড়তগুলো। আবহমান বাংলার অনেক ঐহিত্য রয়েছে এই মধুমাসকে নিয়ে। মেয়ের বাবা রসাল ফল নিয়ে মেয়ে আনতে যান তার শ্বশুরবাড়ি। ফল দিয়ে মেয়ে-জামাই এবং পরিবারের অন্যদের দাওয়াত দিয়ে আসেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে জামাই না এলে মধুমাসই পরিপূর্ণ হবে না, এমনটিই তাদের চিন্তাভাবনা। মেয়ের জামাই বেড়াতে এলে আম, দুধ, কাঁঠাল আরো কত কী খেতে দেন! ঝড় হোক আর রোদে মাঠঘাঠ শুকিয়ে যাক, আম-কাঁঠাল নিয়ে মেয়েবাড়িতে যেতেই হবে। এর সাথে গ্রামের অনেকটা সম্মানও জড়িয়ে থাকে। গ্রামের লোকজনের নিজেদের গাছ থাকায় খুব কম জিনিসই কিনে খেতে হয়। তার পরও যাদের নেই তারাও থেমে থাকে না। বাজার থেকে কিনে এনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেতে বসে। এই সময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। কোথাও কোথাও মওসুমি ফলের মেলা বসে। তখন মনে হয় বাংলার প্রকৃতি যেন সেজেছে রসের হাঁড়ি নিয়ে। তবে বিশেষ করে আমগাছে ঢিল দেয়া অথবা আম চুরি করা নিয়ে প্রত্যেক মানুষের জীবনেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা রয়েছে। গ্রামের মতো রাজধানীতে মওসুমি ফলের মেলা বসে। বিশেষ করে আমের মেলা সবার দৃষ্টি কাড়ে।
অন্য দিকে রসাল লিচু দেখে লোভ সামলানো দায়। ছোট বড় সাইজের লিচুর দাম চড়া হলেও ক্রেতার সংখ্যা থাকে বেশি। কারণ, বছরের এই সময়টাতে কেবল এমন রসাল ফলের স্বাদ নেয়া যায়। মাগুরা, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও ঢাকার অদূরের সোনারগাঁও অঞ্চলের লিচু অনেক আগে থেকেই বাজারে আসতে শুরু করে। ব্যবসায়ীদের চোখে-মুখে আনন্দ লণীয়। কারণ, বছরের এই সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি ফল বিক্রি হয়। দিনাজপুরের লিচু বাজারে আসতে একটু দেরি হয়। বড় সাইজের লিচুগুলোর বাজারে খুব কদর। তবে আম মোটামুটি পাওয়া গেলেও লিচু খুব দ্রুত ফুরিয়ে যায়। কারণ, সব ফলের চেয়ে লিচু আর আমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাসস্ট্যান্ড কিংবা টারমিনালগুলোয় এসব ফল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। বাজারের পাশাপাশি নগরীর অলিগলির মধ্যেও ঝুড়িতে করে অল্পদামে ফল বিক্রি হয়। গ্রীষ্মে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত জনসাধারণের প্রাণ জোড়াচ্ছে ফলগুলো। তবে যারা একেবারে নিম্নশ্রেণীর, তাদের জন্য মধুমাস অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতোই। বিশেষ করে পথশিশুরা মধুমাস থেকে বঞ্চিত হয়। তবে অনেক সমাজসেবী আবার দলবদ্ধ হয়ে পথশিশুদের মাঝে আম বিলিয়ে দিচ্ছে। এতে তাদের মাঝেও মধুমাসের এক অন্যরকম উৎসব সৃষ্টি হয়। এভাবে যদি আরো অনেকে এগিয়ে আসে, তবে হয়তো কাউকেই আর এই রসাল ফল খাওয়া থেকে বাদ পড়তে হবে না। এ মাসটি সবার প্রিয় মাস।
ফলকে অনেক দিন তরতাজা রাখার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। এটি মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যদিও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে, তারপরও ফরমালিন দেয়া থেমে নেই। জানা যায়, কাঁঠাল কাঁচা অবস্থায় সংগ্রহ করে বাগানেই বিষাক্ত ইথিলিন দিয়ে পাকানো হয়। তবুও মধুফল বলে কথা। তাপদাহের যন্ত্রণায় জনমনে একটু শীতলতার পরশ ও প্রশান্তি মধুমাসের এই মধুফলে। তাই মানুষ খেয়ে যাচ্ছে তাদের প্রিয় মধুফল। তবে কিছু বিষয় ল করলে আপনি নিজেই ফরমালিনযুক্ত ফল শনাক্ত করতে পারবেন। বাজারে গিয়ে কিভাবে বুঝবেন ফলে ফরমালিন আছে কি না? প্রথমেই ল করুন আমের গায়ে মাছি বসছে কি না। কেননা ফরমালিনযুক্ত আমে মাছি বসবে না। আমটি যদি ফরমালিনমুক্ত হয় অবশ্যই তাতে মাছি বসবে। ল করুন আমের গায়ে সাদাটে ভাব আছে কি না, যদি থাকে তবে ভাববেন ফলটি ফরমালিনমুক্ত। কারণ ফলে যখন ফরমালিন দেয়া হয় তখন সেটি ঝকঝকে সুন্দর টসটসে দেখায়। একেবারে দাগহীন আম দেখলে কিনবেন না, কারণ গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর। আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে। আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া। আম কেনা হলে কিছুণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে গন্ধে ম ম করে চার পাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না। তবে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো যদি আপনি বুঝতে পারেন কিংবা জানতে পারেন কোনো বিক্রেতা ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রি করছে। তবে কাছের পুলিশকে জানান কিংবা মোবাইল কোর্টকে জানাতে পারেন; এতে সবাই উপকৃত হবে। মধুমাসের মধুর রসে বাহারি সব ফলের গন্ধ ঝরে, তাই ফলের রসে টইটম্বুর চার পাশ। জ্যৈষ্ঠ আসে ঘ্রাণের মধুমাসের সাজ। তাই মধুমাসের টসটসে ফলের রসে ভরে উঠুক সবার প্রাণ।
sranontojugantor@gmail.com
বাঙালির প্রিয় মধুমাস
সোহানুর রহমান অনন্ত
বাঙালির মধুমাস জ্যৈষ্ঠ এসে গেছে। বাহারি রঙের ফলে ছেয়ে গেছে বাজারগুলো। গ্রামের হাটবাজারে এখন মিষ্টি ফলের গন্ধ। প্রচণ্ড গরমে রসাল ফল আপনাকে শুধু চাঙাই করবে না, নিমেষেই মনকে ভালো করে দেবে। ফল প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার। ফল পছন্দ করে না, এমন মানুষ নেই বললেই চলে। বিভিন্ন জেলা ফলের জন্য বিখ্যাত হয়ে রয়েছে যুগ যুগ ধরে। সাধ্যের মধ্যে যে যার মতো ফল কিনে মনের তৃপ্তি মেটাচ্ছে। গ্রামের মতো শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকানিরা ফলের দোকান সাজিয়ে বসেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে মধুমাসের নানা জাতের ফল। দেশী ফলের পাশাপাশি অনেকে আবার বিদেশী ফল সাজিয়ে রেখেছেন। তবে দেশী ফলের কদর বিন্দুমাত্র কমেনি তাতে। মধুমাসের ফলগুলো হচ্ছে- আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, কাঁচা তাল, জামরুল, তরমুজ, পেয়ারা, আতা, করমচা, জাম্বুরা, কাউফল, গোলাপজাম, কামরাঙা, লটকন, টেপাফল, তেঁতুল, গাব, নোনা, বেথুন, ডেউয়াসহ আরো কত কী!
বাঁশখালী, চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার চরাঞ্চল, পটিয়ার চক্রশালা, বোয়ালখালীর করলডেঙ্গা পাহাড়ি এলাকা, এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু কিছু পাহাড়ি অঞ্চলে তরমুজের চাষ হয়। এসব এলাকা থেকে পাইকারেরা নগরে সরবরাহ করেন তরমুজ। তারপর শুরু হয় বিক্রি। গরমে তরমুজের চাহিদাও অনেক। তবে মধুমাস বলতে গেলে আমের কথাই সবার আগে আসে। এরই মধ্যে বাজারে শোভা পাচ্ছে পাকা টসটসে আম। সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, নাটোর, ঈশ্বরদী থেকে গুটি আম, মোহনভোগ, গোপালভোগসহ বাহারি নামে বিভিন্ন আমে বাজার সয়লাব। ভারতীয় গুটি আম গোবিন্দভোগ, হিমসাগর পাওয়া যাচ্ছে বৈশাখের শুরু থেকেই। এ ছাড়া রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া, হিমসাগর, গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ মধুমাসকে পরিপূর্ণ করবে। আর এর পরই আসবে সে অঞ্চলের ফজলি আম। একেকজনের পছন্দ একেক রকম। কেউ আম খেতে ভালোবাসে, কেউ আবার কাঁঠাল। পরিবারের কর্তাকে তাই বিপদে পড়তে হয়। বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় জ্যৈষ্ঠ মাসে ফল সবচেয়ে বেশি হয়।
রসে টইটম্বুর মওসুমি ফলের ম ম ঘ্রাণে ভরে ওঠে ফলের আড়তগুলো। আবহমান বাংলার অনেক ঐহিত্য রয়েছে এই মধুমাসকে নিয়ে। মেয়ের বাবা রসাল ফল নিয়ে মেয়ে আনতে যান তার শ্বশুরবাড়ি। ফল দিয়ে মেয়ে-জামাই এবং পরিবারের অন্যদের দাওয়াত দিয়ে আসেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে জামাই না এলে মধুমাসই পরিপূর্ণ হবে না, এমনটিই তাদের চিন্তাভাবনা। মেয়ের জামাই বেড়াতে এলে আম, দুধ, কাঁঠাল আরো কত কী খেতে দেন! ঝড় হোক আর রোদে মাঠঘাঠ শুকিয়ে যাক, আম-কাঁঠাল নিয়ে মেয়েবাড়িতে যেতেই হবে। এর সাথে গ্রামের অনেকটা সম্মানও জড়িয়ে থাকে। গ্রামের লোকজনের নিজেদের গাছ থাকায় খুব কম জিনিসই কিনে খেতে হয়। তার পরও যাদের নেই তারাও থেমে থাকে না। বাজার থেকে কিনে এনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেতে বসে। এই সময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। কোথাও কোথাও মওসুমি ফলের মেলা বসে। তখন মনে হয় বাংলার প্রকৃতি যেন সেজেছে রসের হাঁড়ি নিয়ে। তবে বিশেষ করে আমগাছে ঢিল দেয়া অথবা আম চুরি করা নিয়ে প্রত্যেক মানুষের জীবনেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা রয়েছে। গ্রামের মতো রাজধানীতে মওসুমি ফলের মেলা বসে। বিশেষ করে আমের মেলা সবার দৃষ্টি কাড়ে।
অন্য দিকে রসাল লিচু দেখে লোভ সামলানো দায়। ছোট বড় সাইজের লিচুর দাম চড়া হলেও ক্রেতার সংখ্যা থাকে বেশি। কারণ, বছরের এই সময়টাতে কেবল এমন রসাল ফলের স্বাদ নেয়া যায়। মাগুরা, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও ঢাকার অদূরের সোনারগাঁও অঞ্চলের লিচু অনেক আগে থেকেই বাজারে আসতে শুরু করে। ব্যবসায়ীদের চোখে-মুখে আনন্দ লণীয়। কারণ, বছরের এই সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি ফল বিক্রি হয়। দিনাজপুরের লিচু বাজারে আসতে একটু দেরি হয়। বড় সাইজের লিচুগুলোর বাজারে খুব কদর। তবে আম মোটামুটি পাওয়া গেলেও লিচু খুব দ্রুত ফুরিয়ে যায়। কারণ, সব ফলের চেয়ে লিচু আর আমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাসস্ট্যান্ড কিংবা টারমিনালগুলোয় এসব ফল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। বাজারের পাশাপাশি নগরীর অলিগলির মধ্যেও ঝুড়িতে করে অল্পদামে ফল বিক্রি হয়। গ্রীষ্মে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত জনসাধারণের প্রাণ জোড়াচ্ছে ফলগুলো। তবে যারা একেবারে নিম্নশ্রেণীর, তাদের জন্য মধুমাস অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতোই। বিশেষ করে পথশিশুরা মধুমাস থেকে বঞ্চিত হয়। তবে অনেক সমাজসেবী আবার দলবদ্ধ হয়ে পথশিশুদের মাঝে আম বিলিয়ে দিচ্ছে। এতে তাদের মাঝেও মধুমাসের এক অন্যরকম উৎসব সৃষ্টি হয়। এভাবে যদি আরো অনেকে এগিয়ে আসে, তবে হয়তো কাউকেই আর এই রসাল ফল খাওয়া থেকে বাদ পড়তে হবে না। এ মাসটি সবার প্রিয় মাস।
ফলকে অনেক দিন তরতাজা রাখার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। এটি মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যদিও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে, তারপরও ফরমালিন দেয়া থেমে নেই। জানা যায়, কাঁঠাল কাঁচা অবস্থায় সংগ্রহ করে বাগানেই বিষাক্ত ইথিলিন দিয়ে পাকানো হয়। তবুও মধুফল বলে কথা। তাপদাহের যন্ত্রণায় জনমনে একটু শীতলতার পরশ ও প্রশান্তি মধুমাসের এই মধুফলে। তাই মানুষ খেয়ে যাচ্ছে তাদের প্রিয় মধুফল। তবে কিছু বিষয় ল করলে আপনি নিজেই ফরমালিনযুক্ত ফল শনাক্ত করতে পারবেন। বাজারে গিয়ে কিভাবে বুঝবেন ফলে ফরমালিন আছে কি না? প্রথমেই ল করুন আমের গায়ে মাছি বসছে কি না। কেননা ফরমালিনযুক্ত আমে মাছি বসবে না। আমটি যদি ফরমালিনমুক্ত হয় অবশ্যই তাতে মাছি বসবে। ল করুন আমের গায়ে সাদাটে ভাব আছে কি না, যদি থাকে তবে ভাববেন ফলটি ফরমালিনমুক্ত। কারণ ফলে যখন ফরমালিন দেয়া হয় তখন সেটি ঝকঝকে সুন্দর টসটসে দেখায়। একেবারে দাগহীন আম দেখলে কিনবেন না, কারণ গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর। আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে। আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া। আম কেনা হলে কিছুণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে গন্ধে ম ম করে চার পাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না। তবে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো যদি আপনি বুঝতে পারেন কিংবা জানতে পারেন কোনো বিক্রেতা ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রি করছে। তবে কাছের পুলিশকে জানান কিংবা মোবাইল কোর্টকে জানাতে পারেন; এতে সবাই উপকৃত হবে। মধুমাসের মধুর রসে বাহারি সব ফলের গন্ধ ঝরে, তাই ফলের রসে টইটম্বুর চার পাশ। জ্যৈষ্ঠ আসে ঘ্রাণের মধুমাসের সাজ। তাই মধুমাসের টসটসে ফলের রসে ভরে উঠুক সবার প্রাণ।
sranontojugantor@gmail.com
Subscribe to:
Posts (Atom)






