Thursday, 5 February 2015
Wednesday, 4 February 2015
26-1-2015 daily bangladesh potidin-a amar lakha idea
এই শীতে গরম থাকার কৌশল
শীত না গরম? এই দুই অবস্থার চিপায় যাচ্ছে দিনকাল। শীত তো আসবেই, তবে শীত আসলে অনেকের সমস্যা হয়ে যায়, মানে কিভাবে একটু গরম থাকবেন সেটাই ঠিক করতে পারেন না, আপনার জন্য ফ্রি টিপস্ চিন্তা করেছেন -সোহানুর রহমান অনন্ত
বাজারে যান : কিছু কিনুন আর না কিনুন বাজারে গিয়ে মাছ অথবা শাকসবজির দরদাম জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন বিক্রেতার দাম শুনে আপনার শরীরে সেটিং অপশন পরিবর্তন হয়ে গরম লাগা শুরু হয়েছে।
আলাপ পদ্ধতি : এই পদ্ধতি হলো প্রথমে আপনাকে কোনো একটি লোকাল বাসে উঠতে হবে। এরপর দেশের রাজনৈতিক অবস্থার আলোচনা শুরু করতে হবে। ব্যস একবার মুখ দিয়ে বের করলে দেখবেন পক্ষে-বিপক্ষে এমন তর্ক শুরু হবে যে পুরো বাস থেকে শীত এমনিতেই দৌড়ে পালাবে। সো আপনিও গরম হয়ে যাবেন।
রেইনকোট পদ্ধতি : শীতে সবচেয়ে কষ্টের কাজটা হলো গোসল করা। তাই আপনি চাইলেই রেইনকোট গায়ে দিয়ে প্রতিদিন গোসল করতে পারেন। পানি যেহেতু গায়ে লাগবে না, ঠাণ্ডা লাগার প্রশ্নই আসে না। সো আপনি গরম থাকবেন এটা আমরাও আশা করতে পারি।
সিরিয়াল পদ্ধতি : এ পদ্ধতিতে আপনাকে বেশি বেশি করে সিরিয়াল দেখতে হবে। সিরিয়াল দেখতে শুরু করলেই বউয়ের এঙ্ট্রা লেকচার শুনতে হতে পারে। তাই এর সঙ্গে রিমোট নিয়ে ঝামেলা বাঁধিয়ে দিতে পারেন। রিমোটের দখল নিয়ে একটা দফারফাও হয়ে যেতে পারে। সিরিয়াল দেখতে বসে উত্তেজনার কারণে আপনার শীত যে জানালা দিয়ে পালাবে এ ব্যাপারে আমরা কাল্পনিক চ্যালেঞ্জ নিতে পারি। সুতরাং বকবকানি দেখেন আর শীতকে ছুটিতে পাঠান।
দৌড় পদ্ধতি : খুব বেশি শীত লাগলে পাড়ার পাগলা কুকুরটাকে খেপিয়ে দিন। ব্যস ননস্টপ দৌড়ানি খেলে দেখবেন শীত নিহত হয়ে গেছে। আর ঘামে আপনি গোসল করে ফেলেছেন।
এই শীতে গরম থাকার কৌশল
শীত না গরম? এই দুই অবস্থার চিপায় যাচ্ছে দিনকাল। শীত তো আসবেই, তবে শীত আসলে অনেকের সমস্যা হয়ে যায়, মানে কিভাবে একটু গরম থাকবেন সেটাই ঠিক করতে পারেন না, আপনার জন্য ফ্রি টিপস্ চিন্তা করেছেন -সোহানুর রহমান অনন্ত
বাজারে যান : কিছু কিনুন আর না কিনুন বাজারে গিয়ে মাছ অথবা শাকসবজির দরদাম জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন বিক্রেতার দাম শুনে আপনার শরীরে সেটিং অপশন পরিবর্তন হয়ে গরম লাগা শুরু হয়েছে।
আলাপ পদ্ধতি : এই পদ্ধতি হলো প্রথমে আপনাকে কোনো একটি লোকাল বাসে উঠতে হবে। এরপর দেশের রাজনৈতিক অবস্থার আলোচনা শুরু করতে হবে। ব্যস একবার মুখ দিয়ে বের করলে দেখবেন পক্ষে-বিপক্ষে এমন তর্ক শুরু হবে যে পুরো বাস থেকে শীত এমনিতেই দৌড়ে পালাবে। সো আপনিও গরম হয়ে যাবেন।
রেইনকোট পদ্ধতি : শীতে সবচেয়ে কষ্টের কাজটা হলো গোসল করা। তাই আপনি চাইলেই রেইনকোট গায়ে দিয়ে প্রতিদিন গোসল করতে পারেন। পানি যেহেতু গায়ে লাগবে না, ঠাণ্ডা লাগার প্রশ্নই আসে না। সো আপনি গরম থাকবেন এটা আমরাও আশা করতে পারি।
সিরিয়াল পদ্ধতি : এ পদ্ধতিতে আপনাকে বেশি বেশি করে সিরিয়াল দেখতে হবে। সিরিয়াল দেখতে শুরু করলেই বউয়ের এঙ্ট্রা লেকচার শুনতে হতে পারে। তাই এর সঙ্গে রিমোট নিয়ে ঝামেলা বাঁধিয়ে দিতে পারেন। রিমোটের দখল নিয়ে একটা দফারফাও হয়ে যেতে পারে। সিরিয়াল দেখতে বসে উত্তেজনার কারণে আপনার শীত যে জানালা দিয়ে পালাবে এ ব্যাপারে আমরা কাল্পনিক চ্যালেঞ্জ নিতে পারি। সুতরাং বকবকানি দেখেন আর শীতকে ছুটিতে পাঠান।
দৌড় পদ্ধতি : খুব বেশি শীত লাগলে পাড়ার পাগলা কুকুরটাকে খেপিয়ে দিন। ব্যস ননস্টপ দৌড়ানি খেলে দেখবেন শীত নিহত হয়ে গেছে। আর ঘামে আপনি গোসল করে ফেলেছেন।
৫ জানুয়ারি ২০১৫, রবিবার, > daily nayadiganta Abokash patay
রহস্যে ঘেরা সুইসাইড ফরেস্ট
সোহানুর রহমান অনন্ত
জাপানের ওয়াকিগহারা এমন একটি বন যেখানে মানুষ যায় কেবল সুইসাইড করতে। এটি সি অব ট্রিজ অথবা গাছের সমুদ্র নামেও পরিচিত। সেখানে সুইসাইডের সংখ্যা এতটাই বেশি যে, সুইসাইড ফরেস্ট নামে এই বনটি বেশি পরিচিত। লিখেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত পৃথিবীর রহস্য আজো রহস্যই রয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত এই মহাবিশ্বে এমন অনেক কিছুই ঘটে যাচ্ছে, বিজ্ঞান যার ব্যাখ্যা সহজে দিতে পারে না। সারা জীবন খুঁজেও কিছু উত্তর আমরা পাই না। বন বলতেই আমরা প্রকৃতির সুন্দর লীলাভূমিকে বুঝি। যেখানে গেলে মানুষ বুকভরে নিঃশ্বাস নিতে পারে। ক্ষণিকের জন্য হলেও জীবনের ব্যস্ততাকে ভুলে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু সেই বনই যদি হয় জীবন ত্যাগ করার অন্যতম স্থান, তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে? কথাগুলো কাল্পনিক নয়, জাপানের ওয়াকিগহারা এমন একটি বন যেখানে মানুষ যায় কেবল সুইসাইড করতে। এটি সি অব ট্রিজ অথবা গাছের সমুদ্র নামেও পরিচিত। অবশ্য সেখানে সুইসাইডের সংখ্যা এতই বেশি যে, সুইসাইড ফরেস্ট নামে বনটি বেশি পরিচিত। জাপানিদের মতে, এই বনে যে একবার প্রবেশ করে সে আর কখনো ফিরে আসে না। যারা হতাশা নিয়ে বেঁচে আছে কিংবা প্রতিনিয়ত কষ্টের মাঝে দিন কাটাচ্ছে, তারাই এই বনে যায় সবার অজান্তে আত্মহত্যা করার জন্য। ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত গড়ে প্রতি বছরই ১০০ জন ব্যক্তি এই বনে এসে আত্মহত্যা করে। ২০০২ সালে এই বনে ৭৮টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। দিন দিন মৃতের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। বনের ভেতর গেলেই চোখে পড়ে মৃত মানুষের অসংখ্য হাড় অথবা গাছের সাথে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মৃতদেহ। এভাবেই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মাঝে এক অপার রহস্যের কেন্দবিন্দুতে রূপ নেয় বনটি। কী আছে এই বনের মধ্যে, যে কারণে সেখানে একবার গেলে মানুষ জীবনের মায়া ভুলে যায়? এর সঠিক উত্তর আজো কেউ দিতে পারেনি। যদিও বনটির প্রবেশমুখে বড় সাইনবোর্ডে লেখা আছেÑ ‘জীবন এখানেই শেষ নয়, আরেকবার চেষ্টা করে দেখুন’। ‘একবার হেরে যাওয়া মানে চিরদিনের জন্য হেরে যাওয়া নয়’। তবুও আত্মহত্যার মিছিল কমেনি। ৩৫ বর্গকিলোমিটারের এ জঙ্গলটির রহস্যের কোনো কূলকিনারা আজো মানুষ বের করতে পারেনি। জাপানিদের মতে, এ বনে প্রেতাত্মারা ঘুরে বেড়ায় এবং যে একবার ভেতরে যায় তাকে আর ফিরতে দেয় না। তবে বিজ্ঞানের ভাষায় এ বনটি একেবারে সুমসাম, সারাণ নীরবতা বিরাজ করে। তাই এ জায়গা আত্মহত্যার জন্য আদর্শ স্থান ভেবেই সেখানে মানুষ আত্মহত্যা করতে যায়। প্রতি বছর এই বন থেকে শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৯৭০ সালে পুলিশ ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করা হয়, যাদের কাজ মৃতদেহগুলো খুঁজে বের করা এবং যারা আত্মহত্যার জন্য আসে, তাদেরকে অনুৎসাহিত করা। জঙ্গলের ভেতরে বিভিন্ন গাছে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো। আত্মহত্যার জন্য স্থানটি বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন ব্রিজ। এই জঙ্গল নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে অনেকেরই ধারণা, ওই জায়গাটি নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস থেকে উৎসাহিত হয়ে এটা করে থাকতে পারে মানুষ। তবে এটা মানতে নারাজ বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ। হিসাব মতে, এখানে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মার্চ মাসে। এর বেশির ভাগই হয় ফাঁসিতে ঝুলে কিংবা মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে। এই বনের রহস্য আজো রহস্যই রয়ে গেছে। এর কোনো সঠিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেনি।
রহস্যে ঘেরা সুইসাইড ফরেস্ট
সোহানুর রহমান অনন্ত
জাপানের ওয়াকিগহারা এমন একটি বন যেখানে মানুষ যায় কেবল সুইসাইড করতে। এটি সি অব ট্রিজ অথবা গাছের সমুদ্র নামেও পরিচিত। সেখানে সুইসাইডের সংখ্যা এতটাই বেশি যে, সুইসাইড ফরেস্ট নামে এই বনটি বেশি পরিচিত। লিখেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত পৃথিবীর রহস্য আজো রহস্যই রয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত এই মহাবিশ্বে এমন অনেক কিছুই ঘটে যাচ্ছে, বিজ্ঞান যার ব্যাখ্যা সহজে দিতে পারে না। সারা জীবন খুঁজেও কিছু উত্তর আমরা পাই না। বন বলতেই আমরা প্রকৃতির সুন্দর লীলাভূমিকে বুঝি। যেখানে গেলে মানুষ বুকভরে নিঃশ্বাস নিতে পারে। ক্ষণিকের জন্য হলেও জীবনের ব্যস্ততাকে ভুলে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু সেই বনই যদি হয় জীবন ত্যাগ করার অন্যতম স্থান, তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে? কথাগুলো কাল্পনিক নয়, জাপানের ওয়াকিগহারা এমন একটি বন যেখানে মানুষ যায় কেবল সুইসাইড করতে। এটি সি অব ট্রিজ অথবা গাছের সমুদ্র নামেও পরিচিত। অবশ্য সেখানে সুইসাইডের সংখ্যা এতই বেশি যে, সুইসাইড ফরেস্ট নামে বনটি বেশি পরিচিত। জাপানিদের মতে, এই বনে যে একবার প্রবেশ করে সে আর কখনো ফিরে আসে না। যারা হতাশা নিয়ে বেঁচে আছে কিংবা প্রতিনিয়ত কষ্টের মাঝে দিন কাটাচ্ছে, তারাই এই বনে যায় সবার অজান্তে আত্মহত্যা করার জন্য। ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত গড়ে প্রতি বছরই ১০০ জন ব্যক্তি এই বনে এসে আত্মহত্যা করে। ২০০২ সালে এই বনে ৭৮টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। দিন দিন মৃতের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। বনের ভেতর গেলেই চোখে পড়ে মৃত মানুষের অসংখ্য হাড় অথবা গাছের সাথে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মৃতদেহ। এভাবেই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মাঝে এক অপার রহস্যের কেন্দবিন্দুতে রূপ নেয় বনটি। কী আছে এই বনের মধ্যে, যে কারণে সেখানে একবার গেলে মানুষ জীবনের মায়া ভুলে যায়? এর সঠিক উত্তর আজো কেউ দিতে পারেনি। যদিও বনটির প্রবেশমুখে বড় সাইনবোর্ডে লেখা আছেÑ ‘জীবন এখানেই শেষ নয়, আরেকবার চেষ্টা করে দেখুন’। ‘একবার হেরে যাওয়া মানে চিরদিনের জন্য হেরে যাওয়া নয়’। তবুও আত্মহত্যার মিছিল কমেনি। ৩৫ বর্গকিলোমিটারের এ জঙ্গলটির রহস্যের কোনো কূলকিনারা আজো মানুষ বের করতে পারেনি। জাপানিদের মতে, এ বনে প্রেতাত্মারা ঘুরে বেড়ায় এবং যে একবার ভেতরে যায় তাকে আর ফিরতে দেয় না। তবে বিজ্ঞানের ভাষায় এ বনটি একেবারে সুমসাম, সারাণ নীরবতা বিরাজ করে। তাই এ জায়গা আত্মহত্যার জন্য আদর্শ স্থান ভেবেই সেখানে মানুষ আত্মহত্যা করতে যায়। প্রতি বছর এই বন থেকে শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৯৭০ সালে পুলিশ ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করা হয়, যাদের কাজ মৃতদেহগুলো খুঁজে বের করা এবং যারা আত্মহত্যার জন্য আসে, তাদেরকে অনুৎসাহিত করা। জঙ্গলের ভেতরে বিভিন্ন গাছে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো। আত্মহত্যার জন্য স্থানটি বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন ব্রিজ। এই জঙ্গল নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে অনেকেরই ধারণা, ওই জায়গাটি নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস থেকে উৎসাহিত হয়ে এটা করে থাকতে পারে মানুষ। তবে এটা মানতে নারাজ বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ। হিসাব মতে, এখানে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মার্চ মাসে। এর বেশির ভাগই হয় ফাঁসিতে ঝুলে কিংবা মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে। এই বনের রহস্য আজো রহস্যই রয়ে গেছে। এর কোনো সঠিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেনি।
Subscribe to:
Posts (Atom)






