Monday, 1 June 2015
18-05-2015 daily somokal-ar pachall-a
ভূমিকম্প আতঙ্ক!
নিউজ হেডলাইনের মতো ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে, শোনা যাচ্ছে বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ। এসব খবরে যথারীতি আমজনতা কাঁপুনি আতঙ্কে ভুগছে। গবেষণা করেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
ভূমিকম্প নিয়ে বাড়িওয়ালাদের টেনশন বেশি
ভাড়াটিয়া : ভূমিকম্প হইলেও আপনার বাসায় কোনো রিক্স নাই এইডা সিউর দিয়া কেমনে কইতাছেন?
ভাড়িওয়ালা : ডরাইয়েন না, বাড়ির চারপাশের মাটিতে বড় বড় পেরেক মাইরা দিছি, ভূমিকম্প হইলেও মাটি ফাটার কোনো চান্স নাই। ভাড়া নিলে নিরাপদে থাকতে পারবেন।
ভূমিকম্প আতঙ্কে জনগণ
১ম ব্যক্তি : ভাই ভূমি...!
২য় ব্যক্তি : খাইছেরে! আবার ভূমিকম্প হইতাছে নাকি? কেবলার মতো দাঁড়ায়া না থাইক্কা আমার লগে দৌড় দেন।
১ম ব্যক্তি : দুর মিয়া, আমি তো জানতে চাইছিলাম ভূমি অফিসটা কোন দিকে। আপনি তো পুরাটা শোনার আগেই ডরাইয়া গেলেন।
ঘর ফাঁকা মানে চোরদের উৎসব
১ম চোর : কী এমন মন্ত্র শিখলি যেটা উচ্চারণ করলেই বাড়িঘর ফাঁকা হইয়া যায়! চাপা মারতাছো মনে হইতাছে।
২য় চোর : বেশি কিছু না, দরজার সামনে গিয়ে খালি চিল্লাই কবি ভূমিকম্প! ব্যস, ঘর এমনিতেই ফাঁকা হইয়া যাইবো, তারপর ইচ্ছা মতো লুট করতি পারবি।
রাজধানীবাসী টেনশনে আছে
বস : কী ব্যাপার উত্তম সাহেব, মাস শেষ না হতেই বেতন অগ্রিম চাচ্ছেন, আপনার ঘটনা কী?
২য় জন : স্যার, বেতন কি আর স্বাদে চাইতাছি। যেই হারে ভূমিকম্প হইতাছে, পরে যদি নেওয়ার আর সুযোগ না পাই
ভূমিকম্প আতঙ্ক!
নিউজ হেডলাইনের মতো ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে, শোনা যাচ্ছে বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ। এসব খবরে যথারীতি আমজনতা কাঁপুনি আতঙ্কে ভুগছে। গবেষণা করেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
ভূমিকম্প নিয়ে বাড়িওয়ালাদের টেনশন বেশি
ভাড়াটিয়া : ভূমিকম্প হইলেও আপনার বাসায় কোনো রিক্স নাই এইডা সিউর দিয়া কেমনে কইতাছেন?
ভাড়িওয়ালা : ডরাইয়েন না, বাড়ির চারপাশের মাটিতে বড় বড় পেরেক মাইরা দিছি, ভূমিকম্প হইলেও মাটি ফাটার কোনো চান্স নাই। ভাড়া নিলে নিরাপদে থাকতে পারবেন।
ভূমিকম্প আতঙ্কে জনগণ
১ম ব্যক্তি : ভাই ভূমি...!
২য় ব্যক্তি : খাইছেরে! আবার ভূমিকম্প হইতাছে নাকি? কেবলার মতো দাঁড়ায়া না থাইক্কা আমার লগে দৌড় দেন।
১ম ব্যক্তি : দুর মিয়া, আমি তো জানতে চাইছিলাম ভূমি অফিসটা কোন দিকে। আপনি তো পুরাটা শোনার আগেই ডরাইয়া গেলেন।
ঘর ফাঁকা মানে চোরদের উৎসব
১ম চোর : কী এমন মন্ত্র শিখলি যেটা উচ্চারণ করলেই বাড়িঘর ফাঁকা হইয়া যায়! চাপা মারতাছো মনে হইতাছে।
২য় চোর : বেশি কিছু না, দরজার সামনে গিয়ে খালি চিল্লাই কবি ভূমিকম্প! ব্যস, ঘর এমনিতেই ফাঁকা হইয়া যাইবো, তারপর ইচ্ছা মতো লুট করতি পারবি।
রাজধানীবাসী টেনশনে আছে
বস : কী ব্যাপার উত্তম সাহেব, মাস শেষ না হতেই বেতন অগ্রিম চাচ্ছেন, আপনার ঘটনা কী?
২য় জন : স্যার, বেতন কি আর স্বাদে চাইতাছি। যেই হারে ভূমিকম্প হইতাছে, পরে যদি নেওয়ার আর সুযোগ না পাই
01-06-2015 Daily bangladesh protidin-ar Rokomari rommo-te
যাহার জন্য প্রযোজ্য...
সোহানুর রহমান অনন্ত
সুন্দরীর চোখ :
রাস্তা দিয়ে আপনি চলাফেরা করার সময় অনেক সুন্দরী মেয়ের সামনে পড়েন। মেয়েরা আপনার দিকে তাকিয়ে চোখের পাপড়ি ফেললেই ভাববেন না সে আপনাকে চোখ মেরেছে। কারণ এটা ওই মেয়ের চোখের সমস্যাও হতে পারে। তাই ভুল করে হিরো সাজতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন।
স্ত্রীর চোখ :
বউয়ের চোখ পড়তে না পেরে মিষ্টি কথায় ভুলেও ক্রেডিট কার্ডের পাসওয়ার্ড দেবেন না। যদি একবার এই ভুল করে ফেলেন তাহলে দুই দিন পর থালা নিয়ে রাস্তায় বের হতে হবে।
পাওনাদারের চোখ :
পাওনাদার চোখের ভাষা না বুঝলে আপনি সব সময় তার থেকে দূরে থাকতে চান। কিন্তু চুম্বক শক্তির মতো আপনি যেখানে যান পাওনাদার সেখানেই হাজির হয়। তাই পাওনাদারের সামনে পড়লেই তাকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করুন। তারপর ত্যানা প্যাঁচাল শুরু করুন। চাইলে বেসুরা গানও গাইতে পারেন।
যাহার জন্য প্রযোজ্য...
সোহানুর রহমান অনন্ত
সুন্দরীর চোখ :
রাস্তা দিয়ে আপনি চলাফেরা করার সময় অনেক সুন্দরী মেয়ের সামনে পড়েন। মেয়েরা আপনার দিকে তাকিয়ে চোখের পাপড়ি ফেললেই ভাববেন না সে আপনাকে চোখ মেরেছে। কারণ এটা ওই মেয়ের চোখের সমস্যাও হতে পারে। তাই ভুল করে হিরো সাজতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন।
স্ত্রীর চোখ :
বউয়ের চোখ পড়তে না পেরে মিষ্টি কথায় ভুলেও ক্রেডিট কার্ডের পাসওয়ার্ড দেবেন না। যদি একবার এই ভুল করে ফেলেন তাহলে দুই দিন পর থালা নিয়ে রাস্তায় বের হতে হবে।
পাওনাদারের চোখ :
পাওনাদার চোখের ভাষা না বুঝলে আপনি সব সময় তার থেকে দূরে থাকতে চান। কিন্তু চুম্বক শক্তির মতো আপনি যেখানে যান পাওনাদার সেখানেই হাজির হয়। তাই পাওনাদারের সামনে পড়লেই তাকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করুন। তারপর ত্যানা প্যাঁচাল শুরু করুন। চাইলে বেসুরা গানও গাইতে পারেন।
২৯ মে ২০১৫,শুক্রবার- দিগন্ত সাহিত্য-patay>>><<<special thanks #Jobayer_Raju_ke
ঝড়
সোহানুর রহমান
স্টেশন রোডের বনলতা ক্যাফের সামনে আসতেই ঝুপঝুপ বৃষ্টি শুরু হলো। বাইকটা রেখে একটি কনফেকশনারিতে দাঁড়ালাম। শিলাবৃষ্টি, সেই সাথে আকাশে মেঘের গুড়–ম গুড়–ম শব্দ। সিগ্ধ বিকেলটা কখন যে মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে বলা মুশকিল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ৪টা বেজে কুড়ি। বাসায় যাওয়া জরুরি। অথচ ঝড়, বড় বড় শিলাবৃষ্টি, সেই সাথে হাড়কাঁপানো বাতাস। হাত বাড়িয়ে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টির স্পর্শ নিই। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল ভিজতে, মনের দেয়াল ভেজাতে। বৃষ্টি একটু ধরে এলো। আর কিছুক্ষণ পরই সন্ধ্যা নেমে যাবে। সুতরাং ৩৩৬ নাম্বার বাড়িটির সামনে পানি জমার আগেই যেতে হবে আমাকে। বাইক স্টার্ট করে ছুটলাম। কিছুদূর যেতেই আবার ঝুপঝুপ বৃষ্টি শুরু হলো। এবার আর কোথাও আশ্রয় নিলাম না। বৃষ্টির কাছে নিজেকে সঁপে দিলাম। মন্দ লাগছিল না ভিজতে। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় ৩৩৬ নম্বর বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালাম। ভাগ্যভালো ততটা পানি এখনো জমেনি রাস্তায়। সিঁড়ি বেয়ে উঠে পড়লাম পাঁচতলায়। ঘরের মধ্যে ঢুকতেই লোডশেডিং। তোয়ালে দিয়ে মাথা মোছার সময় অনুভব করলাম শরীরটা কেমন গরম হয়ে আসছে। জ্বর আসবে নাতো? দূর! কত বৃষ্টিতে ভিজেছি আমি, কখনো তো সেইভাবে জ্বরটর আসেনি। কিছুক্ষণের মধ্যে মাথাটা কেমন ভারী হয়ে গেল, শীতল একটি অনুভূতি হতে লাগল। আমার ধারণা ভুল প্রমাণ করে তাপিয়ে জ্বর এলো। কত তা না মেপে বলা মুশকিল। নতুন বাড়িতে উঠেছি সবে, বদলি চাকরিটাও নতুন। এখনো মাইনে পাইনি, তাই ঘরের জিনিসপত্রও কেনা হয়নি। ভাঙা চকিটাতে শুয়ে পড়লাম একটি চিকন কাঁথা গায়ে দিয়ে। জ্বর যে ক্রমে বেড়েই চলছে টের পাচ্ছি। একসময় মনে হলো জ্বরে বোধহয় মরেই যান। ৮টা নাগাদ বৃষ্টি থেমে গেল। অন্ধকার একটি ঘরে পড়ে রইলাম আমি। অমাবস্যার অন্ধকার যেন আরো অন্ধকারে দিয়েছে আমাকে।
জ্বরে আমার সারা শরীর পুড়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি জিনিস ভেবে আমি খুব অবাক হচ্ছি। ভাঙা চকিতে আমি খুব আরামে শুয়ে আছি। আমার মাথার নিচে কে যেন একটি নরম বালিশ গুঁজে দিয়েছে। চিকন কাঁথার বদলে একটি মোটা কম্বল দিয়ে আমার সারা শরীর ঢাকা। এমন সময় খেয়াল হলো অমাবস্যার রাতে কী করে জানি ঘরটা চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল! ঘরজুড়ে মিষ্টি একটা গন্ধ। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি শীতল হাত, কে যেন আমার কপালের ওপর রাখল। বুঝলাম আমার কপালে জলপট্টি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কে দিচ্ছে? এই শহরে তো আমার আপন বলতে কেউ নেই। তা ছাড়া ঢাকার ফ্যাটগুলো তো আরো অদ্ভুত। কেউ কারো খবর নেয় না। তাহলে আমার মাথার কাছে বসে আছে কে? বুঝতে পারছিলাম এটা কোনো নারীর হাত। ঠিক সেই মুহূর্তে মনে হলো গলাটা কেমন শুকিয়ে গেছে, এক গ্লাস পানি যদি পান করা যেত। এমনটা যখন ভাবছি, আমার মাথার কাছে বসে থাকা মেয়েটি উঠে দাঁড়াল। ঝাপসা চোখে আমি দেখলাম খানিক বাদেই মেয়েটি আমার সামনে এসে দাঁড়াল। পানির গ্লাস এগিয়ে দিলো। অদ্ভুত, আমি মেয়েটির মুখ দেখতে পাচ্ছি না। মাথাটা একটু তুলে ঢকঢক করে গিলে ফেললাম। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি কণ্ঠ আমার কান্তি দূর করে দিলো। মেয়েটি বলল, আমাকে চিন্তে পেরেছ? চেহারায় চিন্তে না পারলেও কণ্ঠটা আমার চেনা, অনেক দিনের চেনা। মেয়েটি আবার বলল, চিন্তে পারোনি, তাই না। আমি আলতো করে বললাম, কে, নীলা? হ্যাঁ, আমি তোমার নীলা। নীলা... এতদিন পর কোত্থেকে? নীলার কোনো জবাব নেই। আজ থেকে তিন বছর আগে নীলাকে বিয়ে করেছিলাম ভালোবেসে। ছোট্ট সুখের সংসার ছিল আমার। অভাব ছিল বটে, কিন্তু সুখ ছিল। সবই ঠিক ছিল। তারপরও কোথায় যেন একটা অঙ্ক ভুল হয়ে গেল। একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি, নীলা বাসায় নেই। ছোট্ট একটি চিরকুট চোখে পড়ল। তাতে লেখা, আমাকে খোঁজার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। আমি তোমার জীবন থেকে চলে যাচ্ছি। শুধু ভালোবাসা দিলেই হয় না, ভালোবাসা ছাড়াও নারীর অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকে। তোমার সামান্য রোজগারে তো পেট চালানোই দায়। চিরকুট শেষ হওয়ার আগেই চোখ দিয়ে বৃষ্টি ঝরেছিল। কালচৈত্রের বৃষ্টি।
নীলার কণ্ঠ ভারী হয়ে এসেছে, আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি।
ক্ষমা...?।
হ্যাঁ, ক্ষমা। তোমাকে কষ্ট দিয়ে আমি সুখী হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জানো, সুখী তো আমি হতেই পারিনি; বরং দুঃখের চোরাবালিতে আটকে গেছি।
তোমার ক্ষমা চাইতে হবে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।
সত্যি বলছো তুমি?
হ্যাঁ সত্যি, হাজারবার সত্যি।
যাক এবার আমি শান্তি পাবো।
শরীরটা এখন একটু ভালো লাগছে। ছলছল চোখে নীলা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখের কোণ বেয়ে জল ঝরে পড়ছে মাঝে মাঝে। তুমি কাঁদছো কেন? পাগলি মেয়ে কোথাকার। সত্যি, তোমার প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। তুমি অনেক বড় মনের একজন মানুষ, আমি অকৃতজ্ঞ। না হলে তোমাকে ছেড়ে অন্য কারো হাত ধরে চলে যেতে পারতাম না।
আমি কিছুই বলতে পারলাম না। পুরনো ভালোবাসা আবার যেন নতুন করে মরুভূমির বুকে আছড়ে পড়েছে। হঠাৎই চোখটা ঝাপসা হয়ে এলো। নীলার সুন্দর মুখটা আস্তে আস্তে ঝাপসা হয়ে আসছে। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল, নীলার দিকে তাকিয়ে থাকতে। কিন্তু চোখ দুটো মেলতেই পারছিলাম না। কখন যে অচেতন হয়েছি নিজেও জানি না।
বাইরে প্রচণ্ড ঝড়, চোখ দুটো মেলতেই নীলা... নীলা বলে বেশ কয়েকবার ডাকলাম। কোনো সাড়াশব্দ নেই। আমার শরীরে একফোঁটা জ্বর নেই। বালিশের কাছেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিউলি ফুল চোখে পড়ল। নীলার খুব পছন্দের ফুল শিউলি। পুরো ঘর তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম, কোথাও নীলা নেই। হঠাৎ যেন আমি স্বজ্ঞানে ফিরে এলাম। নীলা তো আমার নতুন বাড়ির ঠিকানা জানে না, আসবে কী করে! আর দরজাও তো ভেতর থেকে লাগানো। সবকিছুই কেমন এলোমেলো মনে হতে লাগল। কিছুই মেলাতে পারছি না। বৃষ্টি একটু কমে এলে, বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। নিউ মার্কেটে নীলার চাচাতো ভাইয়ের দোকান আছে। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, নীলা কেমন আছে? আমার কথা শুনে ভদ্রলোক বললেন, আপনি কিছুই জানেন না!
কী জানব।
আরে নীলা তো গত সপ্তাহ দুয়েক আগে মারা গেছে। ডেলিভারি কেস, বাঁচানো গেল না। শুনে যেন মার্বেলের মূর্তি হয়ে গেলাম
ঝড়
সোহানুর রহমান
স্টেশন রোডের বনলতা ক্যাফের সামনে আসতেই ঝুপঝুপ বৃষ্টি শুরু হলো। বাইকটা রেখে একটি কনফেকশনারিতে দাঁড়ালাম। শিলাবৃষ্টি, সেই সাথে আকাশে মেঘের গুড়–ম গুড়–ম শব্দ। সিগ্ধ বিকেলটা কখন যে মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে বলা মুশকিল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ৪টা বেজে কুড়ি। বাসায় যাওয়া জরুরি। অথচ ঝড়, বড় বড় শিলাবৃষ্টি, সেই সাথে হাড়কাঁপানো বাতাস। হাত বাড়িয়ে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টির স্পর্শ নিই। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল ভিজতে, মনের দেয়াল ভেজাতে। বৃষ্টি একটু ধরে এলো। আর কিছুক্ষণ পরই সন্ধ্যা নেমে যাবে। সুতরাং ৩৩৬ নাম্বার বাড়িটির সামনে পানি জমার আগেই যেতে হবে আমাকে। বাইক স্টার্ট করে ছুটলাম। কিছুদূর যেতেই আবার ঝুপঝুপ বৃষ্টি শুরু হলো। এবার আর কোথাও আশ্রয় নিলাম না। বৃষ্টির কাছে নিজেকে সঁপে দিলাম। মন্দ লাগছিল না ভিজতে। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় ৩৩৬ নম্বর বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালাম। ভাগ্যভালো ততটা পানি এখনো জমেনি রাস্তায়। সিঁড়ি বেয়ে উঠে পড়লাম পাঁচতলায়। ঘরের মধ্যে ঢুকতেই লোডশেডিং। তোয়ালে দিয়ে মাথা মোছার সময় অনুভব করলাম শরীরটা কেমন গরম হয়ে আসছে। জ্বর আসবে নাতো? দূর! কত বৃষ্টিতে ভিজেছি আমি, কখনো তো সেইভাবে জ্বরটর আসেনি। কিছুক্ষণের মধ্যে মাথাটা কেমন ভারী হয়ে গেল, শীতল একটি অনুভূতি হতে লাগল। আমার ধারণা ভুল প্রমাণ করে তাপিয়ে জ্বর এলো। কত তা না মেপে বলা মুশকিল। নতুন বাড়িতে উঠেছি সবে, বদলি চাকরিটাও নতুন। এখনো মাইনে পাইনি, তাই ঘরের জিনিসপত্রও কেনা হয়নি। ভাঙা চকিটাতে শুয়ে পড়লাম একটি চিকন কাঁথা গায়ে দিয়ে। জ্বর যে ক্রমে বেড়েই চলছে টের পাচ্ছি। একসময় মনে হলো জ্বরে বোধহয় মরেই যান। ৮টা নাগাদ বৃষ্টি থেমে গেল। অন্ধকার একটি ঘরে পড়ে রইলাম আমি। অমাবস্যার অন্ধকার যেন আরো অন্ধকারে দিয়েছে আমাকে।
জ্বরে আমার সারা শরীর পুড়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি জিনিস ভেবে আমি খুব অবাক হচ্ছি। ভাঙা চকিতে আমি খুব আরামে শুয়ে আছি। আমার মাথার নিচে কে যেন একটি নরম বালিশ গুঁজে দিয়েছে। চিকন কাঁথার বদলে একটি মোটা কম্বল দিয়ে আমার সারা শরীর ঢাকা। এমন সময় খেয়াল হলো অমাবস্যার রাতে কী করে জানি ঘরটা চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল! ঘরজুড়ে মিষ্টি একটা গন্ধ। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি শীতল হাত, কে যেন আমার কপালের ওপর রাখল। বুঝলাম আমার কপালে জলপট্টি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কে দিচ্ছে? এই শহরে তো আমার আপন বলতে কেউ নেই। তা ছাড়া ঢাকার ফ্যাটগুলো তো আরো অদ্ভুত। কেউ কারো খবর নেয় না। তাহলে আমার মাথার কাছে বসে আছে কে? বুঝতে পারছিলাম এটা কোনো নারীর হাত। ঠিক সেই মুহূর্তে মনে হলো গলাটা কেমন শুকিয়ে গেছে, এক গ্লাস পানি যদি পান করা যেত। এমনটা যখন ভাবছি, আমার মাথার কাছে বসে থাকা মেয়েটি উঠে দাঁড়াল। ঝাপসা চোখে আমি দেখলাম খানিক বাদেই মেয়েটি আমার সামনে এসে দাঁড়াল। পানির গ্লাস এগিয়ে দিলো। অদ্ভুত, আমি মেয়েটির মুখ দেখতে পাচ্ছি না। মাথাটা একটু তুলে ঢকঢক করে গিলে ফেললাম। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি কণ্ঠ আমার কান্তি দূর করে দিলো। মেয়েটি বলল, আমাকে চিন্তে পেরেছ? চেহারায় চিন্তে না পারলেও কণ্ঠটা আমার চেনা, অনেক দিনের চেনা। মেয়েটি আবার বলল, চিন্তে পারোনি, তাই না। আমি আলতো করে বললাম, কে, নীলা? হ্যাঁ, আমি তোমার নীলা। নীলা... এতদিন পর কোত্থেকে? নীলার কোনো জবাব নেই। আজ থেকে তিন বছর আগে নীলাকে বিয়ে করেছিলাম ভালোবেসে। ছোট্ট সুখের সংসার ছিল আমার। অভাব ছিল বটে, কিন্তু সুখ ছিল। সবই ঠিক ছিল। তারপরও কোথায় যেন একটা অঙ্ক ভুল হয়ে গেল। একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি, নীলা বাসায় নেই। ছোট্ট একটি চিরকুট চোখে পড়ল। তাতে লেখা, আমাকে খোঁজার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। আমি তোমার জীবন থেকে চলে যাচ্ছি। শুধু ভালোবাসা দিলেই হয় না, ভালোবাসা ছাড়াও নারীর অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকে। তোমার সামান্য রোজগারে তো পেট চালানোই দায়। চিরকুট শেষ হওয়ার আগেই চোখ দিয়ে বৃষ্টি ঝরেছিল। কালচৈত্রের বৃষ্টি।
নীলার কণ্ঠ ভারী হয়ে এসেছে, আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি।
ক্ষমা...?।
হ্যাঁ, ক্ষমা। তোমাকে কষ্ট দিয়ে আমি সুখী হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জানো, সুখী তো আমি হতেই পারিনি; বরং দুঃখের চোরাবালিতে আটকে গেছি।
তোমার ক্ষমা চাইতে হবে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।
সত্যি বলছো তুমি?
হ্যাঁ সত্যি, হাজারবার সত্যি।
যাক এবার আমি শান্তি পাবো।
শরীরটা এখন একটু ভালো লাগছে। ছলছল চোখে নীলা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখের কোণ বেয়ে জল ঝরে পড়ছে মাঝে মাঝে। তুমি কাঁদছো কেন? পাগলি মেয়ে কোথাকার। সত্যি, তোমার প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। তুমি অনেক বড় মনের একজন মানুষ, আমি অকৃতজ্ঞ। না হলে তোমাকে ছেড়ে অন্য কারো হাত ধরে চলে যেতে পারতাম না।
আমি কিছুই বলতে পারলাম না। পুরনো ভালোবাসা আবার যেন নতুন করে মরুভূমির বুকে আছড়ে পড়েছে। হঠাৎই চোখটা ঝাপসা হয়ে এলো। নীলার সুন্দর মুখটা আস্তে আস্তে ঝাপসা হয়ে আসছে। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল, নীলার দিকে তাকিয়ে থাকতে। কিন্তু চোখ দুটো মেলতেই পারছিলাম না। কখন যে অচেতন হয়েছি নিজেও জানি না।
বাইরে প্রচণ্ড ঝড়, চোখ দুটো মেলতেই নীলা... নীলা বলে বেশ কয়েকবার ডাকলাম। কোনো সাড়াশব্দ নেই। আমার শরীরে একফোঁটা জ্বর নেই। বালিশের কাছেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিউলি ফুল চোখে পড়ল। নীলার খুব পছন্দের ফুল শিউলি। পুরো ঘর তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম, কোথাও নীলা নেই। হঠাৎ যেন আমি স্বজ্ঞানে ফিরে এলাম। নীলা তো আমার নতুন বাড়ির ঠিকানা জানে না, আসবে কী করে! আর দরজাও তো ভেতর থেকে লাগানো। সবকিছুই কেমন এলোমেলো মনে হতে লাগল। কিছুই মেলাতে পারছি না। বৃষ্টি একটু কমে এলে, বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। নিউ মার্কেটে নীলার চাচাতো ভাইয়ের দোকান আছে। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, নীলা কেমন আছে? আমার কথা শুনে ভদ্রলোক বললেন, আপনি কিছুই জানেন না!
কী জানব।
আরে নীলা তো গত সপ্তাহ দুয়েক আগে মারা গেছে। ডেলিভারি কেস, বাঁচানো গেল না। শুনে যেন মার্বেলের মূর্তি হয়ে গেলাম
25-05-2015 Daily somokal-ar pachall-a
পকেটে টাকা না থাকলে যেভাবে তেল মারবেন
অনেক সময় আমাদের পকেটে টাকা থাকে না, সেই কারণে মাঝে মাঝে অনেক ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয় আমাদের। তবে এখন আর আপনাকে সেটা নিয়ে টেনশন করতে হবে না। পকেটে টাকা না থাকলে কীভাবে অন্যকে তেল মারবেন তারই ভেজালমুক্ত টিপস দিচ্ছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
পকেট খালি থাকলে এলাকার বড় ভাইকে যেভাবে তেল মারবেন
আপনি তো ভাই এলাকার মা-বাপ, আপনি না থাকলে বুড়িগঙ্গায় সব তো ভাইসা যাইত। আপনারে একদিন না দেখলে মনে হয় চোখে লোডশেডিং হইয়া গেছে। এহন কথা হইলো ভাই, পকেটটা বেশ কয়েক দিন ধইরাই টুলেট লাগায়া ঘুরতাছি, আমি জানি আপনি মহান একজন ব্যক্তি তাই হাজার পাঁচেক টাকা দিয়ে ছোট ভাইরে বাধিত করেন।
পকেটে টাকা না থাকলে প্রেমিকাকে যেভাবে তেল মারবেন
ওহ জোস, জামাটায় তোমারে যা লাগছে না, একেবারে বুড়ির লাহান থক্কু পরীর লাহান। আমার তো মনে হয় এই জামাটা কোম্পানি স্বয়ং তোমার জন্যই বানাইছে। আয়নায় যদি তুমি একবার নিজেরে দেখতা তাইলে তো নিজেই হ্যাং হইয়া যাইতা। ক্যাটরিনা যদি মুখে আটাও মাখে তাও তোমার মতো সুন্দর লাগবো না। এই দেখ, তোমার রূপের জাদুতে পইড়া মানিব্যাগ আনতেই ভুইলা গেছি। তুমি চিন্তা কইর না, ভুল তো মানুষের একবারই হয়। আজকে তুমি চালায়া দাও, একদিনের মামলাই তো।
পকেটে টাকা না থাকলে বউকে যেভাবে তেল মারবেন
বক্করের মা, তুমি যতই কও তোমার বয়স পঁয়তালি্লশ আমার চোখে কিন্তু তা মনে হয় না। তোমারে দেখলে তো মনে হয় ২২ বছরের টগবগে সুন্দরী। তোমার হাসির কাছে তো সব হাসি ফেল। এই কারণেই তো দেখো বাইরে বের হলে আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কোনো মেয়ের দিকে ভুলেও তাকাই না। আগের শাড়িগুলোতে তোমারে যা মানায় না। আমি তো চিন্তা করছি আগামী এক বছরে তোমারে নতুন কোনো শাড়ি কিন্না দিমু না। খামোখা নতুন শাড়িতে তোমারে কেমন না কেমন লাগে।
আপনার হাসি, কথা বলা সব কিছুই সুপারহিট। এই নেন স্যার, এক গ্গ্নাস পানি পান করেন। এসিডা একটু বাড়ায়া দিছি, এখনি সব ঠাণ্ডা হইয়া যাইবো।
পকেটে টাকা না থাকলে বসকে যেভাবে তেল মারবেন
বস, দেইখাই মনে হইতাছে আপনি বেশ টেনশনে আছেন। আসলে আপনি যখন টেনশনে থাকেন তখন আপনার মুখে সেইটা ফুইটা ওঠে। আমার দাদা কইছে একমাত্র মহান ব্যক্তিগো ক্ষেত্রেই এমনটা হয়ে থাকে। আসলেই আপনি মহান স্যার। আপনার হাসি, কথা বলা সব কিছুই সুপারহিট। এই নেন স্যার, এক গ্গ্নাস পানি পান করেন। এসিডা একটু বাড়ায়া দিছি, এখনি সব ঠাণ্ডা হইয়া যাইবো। আরেকটা কথা স্যার, আমার অগ্রিম বেতনের অ্যাপ্লিকেশনটা সঙ্গে নিয়া ঘুরতাছি, আপনার মতো মহান ব্যক্তি যদি একবার হাতের স্পর্শ দিতেন...।
পকেটে টাকা না থাকলে বন্ধুকে যেভাবে তেল মারবেন
দোস্ত, তুই তো আমার লেংটা কালের ফ্রেন্ড, তুই একমাত্র বন্ধু, যারে আমি সবচাইতে বেশি আপন মনে করি। কারণ তুই হইলি ভালো পোলা। তোর কথা কিন্তু আমি সবখানে বলি বুঝলি। এখন কথা হইলো বন্ধু, আমারে হাজার পাঁচেক টাকা ধার দিতে হইবো। না, করতে পারবি না। আমি কিন্তু তোর উপকারের কথা সবাইরে কমু। বুঝলি।
পকেটে টাকা না থাকলে বাড়িওয়ালাকে যেভাবে তেল মারবেন
চাচা, আপনার তো এটা বাড়ি না, স্বর্গ বুঝলেন। এমন সুন্দর বাড়ি তো আমি ঢাকা শহরে আর একখানও দেখি নাই। আপনি তো আসলেই রুচিশীল মানুষ। আপনার বাড়িতে থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত ভাড়াটিয়া মনে করতাছি। আপনার বাড়ির সুনাম কিন্তু রাষ্ট্র রাষ্ট্র হইয়া গেছে। আমিও নিজ দায়িত্বে আপনার বাড়িটা দেইখা রাখতাছি। এহন কথা হইলো চাচা, ভাবতাছি আপনারে সামনের মাসেই একলগে দুই মাসের ভাড়া দিমু। আর আমি তো জানি, এসব ভাড়া নিয়ে আপনার কোনো টেনশনই না
পকেটে টাকা না থাকলে যেভাবে তেল মারবেন
অনেক সময় আমাদের পকেটে টাকা থাকে না, সেই কারণে মাঝে মাঝে অনেক ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয় আমাদের। তবে এখন আর আপনাকে সেটা নিয়ে টেনশন করতে হবে না। পকেটে টাকা না থাকলে কীভাবে অন্যকে তেল মারবেন তারই ভেজালমুক্ত টিপস দিচ্ছেন সোহানুর রহমান অনন্ত
পকেট খালি থাকলে এলাকার বড় ভাইকে যেভাবে তেল মারবেন
আপনি তো ভাই এলাকার মা-বাপ, আপনি না থাকলে বুড়িগঙ্গায় সব তো ভাইসা যাইত। আপনারে একদিন না দেখলে মনে হয় চোখে লোডশেডিং হইয়া গেছে। এহন কথা হইলো ভাই, পকেটটা বেশ কয়েক দিন ধইরাই টুলেট লাগায়া ঘুরতাছি, আমি জানি আপনি মহান একজন ব্যক্তি তাই হাজার পাঁচেক টাকা দিয়ে ছোট ভাইরে বাধিত করেন।
পকেটে টাকা না থাকলে প্রেমিকাকে যেভাবে তেল মারবেন
ওহ জোস, জামাটায় তোমারে যা লাগছে না, একেবারে বুড়ির লাহান থক্কু পরীর লাহান। আমার তো মনে হয় এই জামাটা কোম্পানি স্বয়ং তোমার জন্যই বানাইছে। আয়নায় যদি তুমি একবার নিজেরে দেখতা তাইলে তো নিজেই হ্যাং হইয়া যাইতা। ক্যাটরিনা যদি মুখে আটাও মাখে তাও তোমার মতো সুন্দর লাগবো না। এই দেখ, তোমার রূপের জাদুতে পইড়া মানিব্যাগ আনতেই ভুইলা গেছি। তুমি চিন্তা কইর না, ভুল তো মানুষের একবারই হয়। আজকে তুমি চালায়া দাও, একদিনের মামলাই তো।
পকেটে টাকা না থাকলে বউকে যেভাবে তেল মারবেন
বক্করের মা, তুমি যতই কও তোমার বয়স পঁয়তালি্লশ আমার চোখে কিন্তু তা মনে হয় না। তোমারে দেখলে তো মনে হয় ২২ বছরের টগবগে সুন্দরী। তোমার হাসির কাছে তো সব হাসি ফেল। এই কারণেই তো দেখো বাইরে বের হলে আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কোনো মেয়ের দিকে ভুলেও তাকাই না। আগের শাড়িগুলোতে তোমারে যা মানায় না। আমি তো চিন্তা করছি আগামী এক বছরে তোমারে নতুন কোনো শাড়ি কিন্না দিমু না। খামোখা নতুন শাড়িতে তোমারে কেমন না কেমন লাগে।
আপনার হাসি, কথা বলা সব কিছুই সুপারহিট। এই নেন স্যার, এক গ্গ্নাস পানি পান করেন। এসিডা একটু বাড়ায়া দিছি, এখনি সব ঠাণ্ডা হইয়া যাইবো।
পকেটে টাকা না থাকলে বসকে যেভাবে তেল মারবেন
বস, দেইখাই মনে হইতাছে আপনি বেশ টেনশনে আছেন। আসলে আপনি যখন টেনশনে থাকেন তখন আপনার মুখে সেইটা ফুইটা ওঠে। আমার দাদা কইছে একমাত্র মহান ব্যক্তিগো ক্ষেত্রেই এমনটা হয়ে থাকে। আসলেই আপনি মহান স্যার। আপনার হাসি, কথা বলা সব কিছুই সুপারহিট। এই নেন স্যার, এক গ্গ্নাস পানি পান করেন। এসিডা একটু বাড়ায়া দিছি, এখনি সব ঠাণ্ডা হইয়া যাইবো। আরেকটা কথা স্যার, আমার অগ্রিম বেতনের অ্যাপ্লিকেশনটা সঙ্গে নিয়া ঘুরতাছি, আপনার মতো মহান ব্যক্তি যদি একবার হাতের স্পর্শ দিতেন...।
পকেটে টাকা না থাকলে বন্ধুকে যেভাবে তেল মারবেন
দোস্ত, তুই তো আমার লেংটা কালের ফ্রেন্ড, তুই একমাত্র বন্ধু, যারে আমি সবচাইতে বেশি আপন মনে করি। কারণ তুই হইলি ভালো পোলা। তোর কথা কিন্তু আমি সবখানে বলি বুঝলি। এখন কথা হইলো বন্ধু, আমারে হাজার পাঁচেক টাকা ধার দিতে হইবো। না, করতে পারবি না। আমি কিন্তু তোর উপকারের কথা সবাইরে কমু। বুঝলি।
পকেটে টাকা না থাকলে বাড়িওয়ালাকে যেভাবে তেল মারবেন
চাচা, আপনার তো এটা বাড়ি না, স্বর্গ বুঝলেন। এমন সুন্দর বাড়ি তো আমি ঢাকা শহরে আর একখানও দেখি নাই। আপনি তো আসলেই রুচিশীল মানুষ। আপনার বাড়িতে থাকতে পেরে নিজেকে গর্বিত ভাড়াটিয়া মনে করতাছি। আপনার বাড়ির সুনাম কিন্তু রাষ্ট্র রাষ্ট্র হইয়া গেছে। আমিও নিজ দায়িত্বে আপনার বাড়িটা দেইখা রাখতাছি। এহন কথা হইলো চাচা, ভাবতাছি আপনারে সামনের মাসেই একলগে দুই মাসের ভাড়া দিমু। আর আমি তো জানি, এসব ভাড়া নিয়ে আপনার কোনো টেনশনই না
Subscribe to:
Posts (Atom)






